📍 61, Poura Market, Joypurhat 📞 +880 191 271 6061 ✉️ info@sarkarhomoeo.com
🚚 Free Delivery Over ৳2,000! 💬 WhatsApp Order
🏷️ রোগ ও রোগের কারণ ✓ Medically Reviewed & Verified

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) বা নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত এর কারণ, উপসর্গ, জটিলতা ও চিকিৎসা

নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত (Sleep Apnea; স্লিপ অ্যাপনিয়া) নাক ডাকার ও ঘুম কম হওয়ার সমস্যা। বিভিন্ন কারণে যদি শ্বাস নালী বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে ঘুমের মধ্যে সশব্দে নাক ডাকার শব্দ হয়। নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত নাক ডাকার অন্যতম কারণ, এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ঘুম মানুষের একটি অত্যাবশ্যকীয় শরীরতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। পরিমিত ঘুম সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। হৃদ্‌রোগসহ নানা রোগের ঝুঁকিও কমায়। ঘুম কম হলেও এটি হতে পারে।

ঘুমের সময় নাক ডাকা, শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ঘুম অপূর্ণ থেকে যায়। ফলে দিনের বেলায় কাজের সময় ঘুম ঘুম ভাব আসে। একেই স্লিপ অ্যাপনিয়া বা নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত বলা হয়।

এই রোগ আবার দুই ধরনের। যেমন—

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ) : এতে রোগীর গলবিলে শ্বাস বন্ধ হয়ে নাক ডাকা ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। সারা বিশ্বে সাধারণত প্রতি ১০০ জনের মধ্যে দুই থেকে চারজন ওএসএ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগে থাকে। বাংলাদেশের শহুরে জনসংখ্যার এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষ ও নারীদের ৪.৪৯ ও ২.১৪ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত।

সেন্ট্রাল স্লিপ অ্যাপনিয়া (সিএসএ) : এটি সাধারণত ব্রেন বা মস্তিষ্কের কারণে হয়। এর কারণ সাধারণত হার্ট ফেইলিওর, লিভার ফেইলিওর। ফলে রোগীর শ্বাসকেন্দ্রে অর্থাৎ মস্তিষ্কে যে রেসপিরেটরি সেন্টার থাকে, সেখানেই শ্বাসের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) বা নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত এর কারণ, উপসর্গ, জটিলতা ও চিকিৎসা
স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) বা নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত এর কারণ, উপসর্গ, জটিলতা ও চিকিৎসা

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এর কারণ

  • দৈহিক স্থ্থূলতা : যাদের ওজন বেশি তাদের স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি (বিশেষত গলা ও বুকের চারপাশের অঞ্চলে স্থুলতা)।
  • মুখ ও করোটির গঠনগত ত্রুটি : কিছু মানুষের বিশেষত এশিয়া অঞ্চলের মানুষের মধ্যে দেখা যায়, নিচের চোয়াল ছোট বা পেছনের দিকে চাপা, ফলে মুখগহ্বর সংকীর্ণ হয়ে যায়। এ ধরনের রোগীদের দৈহিক স্থ্থূলতা না থাকলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে।
  • মস্তিষ্কের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশে কোনো সমস্যা হলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে।
  • বয়স : ৩০ থেকে ৬৫ বছর বয়সীদের স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রবণতা বেশি। তবে শিশুদের, বিশেষ করে যাদের টনসিল অথবা অ্যাডিনয়েড আকারে বড় হয়, তাদেরও হতে পারে।
  • লিঙ্গ : সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষের বেশি হয়। নারীদের তুলনায় পুরুষদের স্লিপ অ্যাপনিয়ার হার দুই গুণ বেশি। তবে রজোবন্ধ বা মেনোপজের পর পুরুষ ও নারীরা সমানভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়। গর্ভবতী নারীরাও এই রোগে বেশি ভোগেন।
  • ধূমপান : ধূমপানের ফলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়, যা প্রতিরোধযোগ্য।
  • জেনেটিক বা বংশগত : হার্ট ফেইলিওর, অ্যাজমা, সিওপিডি, কিডনি ফেইলিওর, স্ট্রোক, হাইপোথাইরয়েডিজম ইত্যাদি এ রোগ বাড়িয়ে দেয়।
  • স্বাভাবিক সময়ের আগে জন্মগ্রহণ।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এর উপসর্গ

কিছু লক্ষণ রোগীর নিদ্রার সময় দেখা দেয়। ফলে রোগী নিজেও বুঝতে পারে না। কিন্তু শয্যাসঙ্গী এই লক্ষণগুলো বুঝতে পারে। কিছু লক্ষণ আবার দিনের বেলায় দেখা দেয়, যা রোগী নিজেও বুঝতে পারে। যেমন—

  • নাক ডাকা : স্লিপ অ্যাপনিয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ নাক ডাকা। ৯৫ শতাংশ ওএসএ রোগী প্রায় প্রতিদিন ঘুমের ঘোরে দিনে অথবা রাতে নাক ডাকেন। রাত যত বাড়তে থাকে, নাক ডাকার তীব্রতা তত বাড়তে থাকে। কখনো তিনি টের পান, তবে বেশির ভাগ সময়ই তাঁর স্ত্রী বা সঙ্গীরা এই নাক ডাকার অভিযোগ করেন। অনেকের ধারণা, নাক ডাকা হলো একটি গভীর বা প্রশান্তির ঘুম। প্রকৃতপক্ষে সে স্লিপ অ্যাপনিয়া নামের একটি ভয়াবহ কিন্তু উপেক্ষিত রোগে আক্রান্ত। তবে সব নাক ডাকা রোগীর এই সমস্যা না-ও থাকতে পারে।
  • শ্বাস বন্ধ হওয়া : নাক ডাকতে ডাকতে অনেকের পুরোপুরি শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় কেউ কেউ মৃত্যুভয়ে ভীত হন। রোগী বিষম খাওয়ার মতো গলার কাছে হাত নিয়ে দেখান, যেন গলায় শ্বাস আটকে মারা যাচ্ছেন।
  • ঘুম থেকে জেগে ওঠা : শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে আচমকা ঘুম থেকে জেগে উঠে শ্বাস নেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন অনেকে।
  • রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া : ওএসএ রোগীকে একাধিকবার ঘুম ভেঙে প্রস্রাব করতে হয়।
  • মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া : এ জন্য বারবার ঘুম থেকে উঠে পানি খেতে হয়।
  • সকালে মাথা ব্যথা : ঘুম থেকে উঠলে মাথা ভারী হয়ে থাকে।
  • হাত-পা ছোড়াছুড়ি করা : স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগী ঘুমের ঘোরে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করে, এমনকি স্ত্রী বা সঙ্গীকে হাত-পা দিয়ে আঘাত করে।
  • ঘুমে অতৃপ্তি : রাতে যত দীর্ঘ সময় ঘুমান না কেন, ঘুমের অতৃপ্তি থেকেই যায়।
  • তন্দ্রালু ভাব : দিনের বেলা সারাক্ষণ ঘুম ঘুম ভাব লেগেই থাকে। অফিসের মিটিংয়ে বসলে, ড্রাইভিং করতে, নামাজ পড়তে গেলে, খবরের কাগজ পড়তে গেলে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ঘুমের তাড়নায় সব এলোমেলো হয়ে যায়।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এর জটিলতা

স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে হঠাৎ মৃত্যুসহ নানা রকম শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।

এছাড়া স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীরা ডায়াবেটিস, দেহের ওজন বেড়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মতো শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জটিলতায় ভোগে। রক্তনালিতে প্রদাহজনিত কারণ, অক্সিজেনের স্বল্পতা, কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি, রক্ত চলাচলের তারতম্য, রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ার তারতম্য ও আরো কিছু কোষ এবং রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি রক্তনালির প্রাচীরে ক্ষত সৃষ্টি করে, যা পরবর্তী সময়ে চর্বি জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। রক্তনালির এই সমস্যার কারণে হৃদ্যন্ত্রে সমস্যা বা করোনারি আর্টারি ডিজিজ ও মস্তিষ্কে স্ট্রোক হয়ে থাকে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, তীব্র স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীরা, যাঁরা চিকিৎসা নেন না, তাঁদের মৃত্যুহার প্রতি আট বছরে ৫ শতাংশ বাড়ে।

হৃদরোগ
উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিওর, অনিয়মিত হৃত্স্পন্দন ও করোনারি আর্টারি ডিজিজ—হার্টের এই চারটি রোগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত স্লিপ অ্যাপনিয়া। স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা করালে হাইপারটেনশনের নিয়ন্ত্রণ অনেক ভালো হয়, প্রেসারের ওষুধের পরিমাণ কমে যায়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শুধু ওষুধের মাধ্যমে যাদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

করোপালমোনেলি
দীর্ঘদিন স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা করা না হলে ধীরে ধীরে রোগীর পালমোনারি হাইপারটেনশন হয়ে হার্টফেল করতে পারে, যাকে বলে করোপালমোনেলি।

অকস্মাৎ মৃত্যু
অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কারণে হঠাৎ কারো মৃত্যু হতে পারে।

অতিরিক্ত সড়ক দুর্ঘটনা
সমীক্ষায় দেখা গেছে, স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীরা যদি গাড়ি চালান, তবে দুর্ঘটনার আশঙ্কা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি হয়। এ কারণে উন্নত বিশ্বে যেমন—আমেরিকায় স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের সড়ক দুর্ঘটনা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি; কিন্তু এর কারণ হিসেবে স্লিপ অ্যাপনিয়া কতটা দায়ী তা জানা সম্ভব গবেষণার মাধ্যমেই। এ ছাড়া স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরো নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন—কর্মদক্ষতা কমে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, ছোটখাটো কারণে বাসায় ও কর্মক্ষেত্রে ঝগড়াঝাঁটি লেগে যায়। অনেক ক্ষেত্রে কোন কোন পুরুষ রোগীর যৌনক্ষমতা হ্রাস পায়।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এর নির্ণয়

এই রোগ নির্ণয়ের জন্য গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হলো—পলিসমনোগ্রাফি। এই পরীক্ষার রিপোর্টের সঙ্গে রোগীর লক্ষণ মিলিয়ে দেখতে হয়। যেমন—

রোগের ইতিহাস জানা : নাক ডাকা, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, দিনের কাজের সময় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব—এসব লক্ষণ আছে কি না দেখতে হবে। এ ছাড়া যদি ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হাইপোথায়রায়ডিজম—এসব রোগ থাকে, তবে স্লিপ অ্যাপনিয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

দিনে ঘুমানোর অতিরিক্ত প্রবণতা : একটি স্কেলের সাহায্যে এই অতিরিক্ত ঘুমের প্রবণতা মাপা যায়। এটি ইপওয়ার্থ স্লিপিনেস স্কেল (ইএসএস) নামে পরিচিত।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এ করণীয়

স্লিপ অ্যাপনিয়া হলে রোগীদের সতর্কতা অবলম্বন করে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। যেমন—

  • মাথার দিকটা উঁচু করে ডান বা বাঁ দিকে কাত হয়ে শোয়া।
  • ঘুমের ওষুধ, মাংসপেশি শিথিল করার ওষুধ যথাসম্ভব পরিহার করা।
  • সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • ধূমপান ত্যাগ করা।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজন মানে বিএমআই বজায় রাখুন।
  • যদি নাক বন্ধ থাকে, তবে ফ্লুটিকাসন নেজাল স্প্রে ব্যবহার করা বা চিকিৎসা করা।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) এর চিকিৎসা

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea) বা নিদ্রাকালীন শ্বাসব্যাঘাত সাধারণত দীর্ঘ দিন হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবন করলে ভালো হয়।

  • কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার (সিপ্যাপ) Continuous positive airway pressure (CPAP) : এই রোগের সবচেয়ে সফল ও প্রধান চিকিৎসা সিপ্যাপ। এটি হলো ছোট একটি যন্ত্র, যা রোগীর নাসারন্ধ্র দিয়ে গলার ভেতরে একটি পজিটিভ প্রেসার তৈরি করে। এ পজিটিভ প্রেসারকে অনেকটা গলার মধ্যে বাতাসের বেলুন হিসেবে কল্পনা করা যায়। ফলে রোগী ঘুমিয়ে থাকলে গলার চারদিকের মাংসপেশি সংকুচিত হতে পারে না। ফলে তিনি নাক ডাকেন না এবং নিঃশ্বাসও বন্ধ হয় না। যখন ঘুমিয়ে থাকবেন, তখন তিনি এটি ব্যবহার করবেন। এর তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে ঘুমের সময় নাকের ওপর একটি মাস্ক পরে ঘুমানো রোগীর কাছে একেবারেই নতুন ঘটনা বলে কারো কারো দম বন্ধ হওয়ার মতো অস্বস্তি বোধ হয়। আবার দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই অস্বস্তি কেটে যায়।
  • বিপেপ : Bilevel positive airway pressure (BPAP)-এর মাধ্যমে রোগীর শ্বাস গ্রহণ ও শ্বাস ত্যাগের সময় পৃথক পজিটিভ প্রেসার রোগীর গলায় দেওয়া হয়। তবে এর ব্যবহার খুবই সীমিত।
  • ম্যাড : Mandibular advancement device (MAD) পদ্ধতিতে রোগীর দুই দাঁতের ফাঁকে একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। তবে উপরোক্ত তিন পদ্ধতির মধ্যে এটি সবচেয়ে অকার্যকর। শুধু মৃদু ওএসএম নাক ডাকায় এটি কার্যকরী পদ্ধতি।
  • শল্যচিকিৎসা : শল্যচিকিৎসার সাহায্যে গলার পেছনের টিস্যুর কিছু অংশ বা পুরোটাই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, যাতে শ্বাসনালি রুদ্ধ না হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে চোয়ালের অবস্থান সামান্য পরিবর্তন করে জিবের পেছনের ভাগে শ্বাস চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি করা হয়। অনেক সময় সার্জারির পরও রোগীর নাক ডাকা ও নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপশম হয় না। তখন রোগীকে আবার সিপেপ দিতে হয়।
👨‍⚕️

Need Personalized Medical Advice on this Condition?

Homeopathic remedies are most effective when selected according to your unique symptoms, constitution, and potency requirements. Consult directly with our registered doctor.

Admin ✓

Admin

✍️ Registered Homeopath

অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও গবেষক। ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, ক্রনিক রোগ লক্ষণ বিশ্লেষণ ও সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিতকরণে সার্বক্ষণিক নিবেদিত।

← পূর্ববর্তী আর্টিকেল খুংরিকাশি (Croup) বা ল্যারিঞ্জোট্র্যাকিওব্রঙ্কাইটিস (Laryngotracheobronchitis) এর কারণ, উপসর্গ, জটিলতা ও চিকিৎসা পরবর্তী আর্টিকেল → খুশকি(Dandruff) এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

✍️ আপনার প্রশ্ন বা মতামত জানান

ঔষধ সেবন বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য নির্দ্বিধায় লিখুন। আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট দল পর্যালোচনা করবেন।

🛡️
100% Genuine Medicines

Original German & Indian Sealed Remedies

🚚
Nationwide Fast Delivery

Safe parcel delivery across all 64 districts

🎁
Free Shipping Over ৳2,000

Zero shipping charge on qualifying orders

👨‍⚕️
Dr. Nazim Uddin Sarkar Legacy

Decades of classical homeopathic expertise